সোমবার, ২২ Jun ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
শনিবার (১৯ আগস্ট) সকালে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচীর আওতায় মাছের পোনা অবমুক্তকরণের সময় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে পুলিশ কমিশনার বলেন, “আগস্ট মাস শোকের মাস, এই মাসে বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ৪৮ তম শাহাদত বার্ষিকী পালিত হয়েছে। আপনারা জানেন বাংলাদেশের মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য ১৯৭৩ সালে গণভবনের পুকুরে প্রথমবারের মতো মৎস্য অবমুক্ত করেছিলেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের মৎসের উন্নয়নের জন্য বিস্তারিত প্রকল্প গ্রহণ করেছিলেন।
বঙ্গবন্ধু সরকারের নীতি ছিল জাল যার জলা তার। এই নীতির মাধ্যমে তিনি জেলেদের পুনর্বাসন করা এবং তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের চেষ্টা করেছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় ৩০ লক্ষ শহীদের স্বপ্নের সোনার বাংলা আজ মৎস্য উন্নয়নে অভূতপূর্বক সাফল্য অর্জন করেছে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশ সাধু পানির মাছ উৎপাদনে সারা বিশ্বে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে এবং সামুদ্রিক মৎস্য আহরণে বাংলাদেশ একটা গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান করছে। এটি আমাদের জন্য নিঃসন্দেহে গর্বের। কেএমপির তিনটি জলাশয়ে আজকে মৎস্য অবমুক্ত করার মাধ্যমে আমরা সকলের উদ্দেশ্যে মেসেজ দিতে চাই যে, পুলিশ বিভাগে অব্যবহৃত, পতিত জলাশয়গুলো চাষের উপযোগী করে মাছ চাষের আওতাভূক্ত করে সারাবছর যাতে আমাদের পুলিশ বিভাগের পুষ্টির চাহিদা পূরণে বেশিরভাগ সংখ্যক মৎস্যের যোগান দিতে পারি।
সবশেষে তিনি সম্মানিত মৎস্য চাষী এবং পুকুরের মালিক উদ্দেশ্য আহ্বান করে বলেন, আসুন আমরা সবাই মিলে মাছ চাষ করি আমাদের দেশের মানুষের আমিষের ঘাটতি পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ হই”।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, কেএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) সাজিদ হোসেন; অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) সাজিদ হোসেন; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ, পিপিএম; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিবি) বি.এম নুরুজ্জামান, বিপিএম; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস অ্যান্ড সাপ্লাই) এম এম শাকিলুজ্জামান; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (এফএন্ডবি) শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু; ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ইএন্ডডি) কামরুল ইসলাম-সহ মৎস্য অধিদপ্তর, খুলনার কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ঊধ্বর্তন পুলিশ কর্মকর্তাবৃন্দ ও ফোর্স।